Dr. M A Kaiyum
Sheaf of Paddy
BNP Leadership
ঢাকা-১১ঃ   বাড্ডা,   ভাটারা,   রামপুরা,   মালিবাগ,   সাঁতারকুল,   বেরাইদ
মূল
আমার পরিচয়
বর্তমান কর্মসূচী
ঢাকা-১১ নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা
সরাসরি সমস্যা/পরামর্শ আমাদের জানান
আপনার ভোটার স্লিপ সংগ্রহ করুন

আমাদের প্রিয় ঢাকা-১১ আসনকে একটি আদর্শ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে ড. এম এ কাইয়ুম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর নেওয়া কিছু বর্তমান উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি:

বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা (হেলথ কার্ড)

বাড্ডা এবং ভাটারার মানুষের সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে ইতিমধ্যে ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। সুখবর হলো, খুব শীঘ্রই এই সেবা রামপুরা এলাকাতেও চালু হতে যাচ্ছে।



ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা

ড. কাইয়ুমের নিজস্ব উদ্যোগে ইতিমধ্যে ২,০০০ পরিবারের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ১৭ কেজি করে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে, পরিবারের নারীদের হাতেই এই সহায়তা তুলে দেওয়া হচ্ছে যাতে সংসারের প্রকৃত উপকার হয়।



নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ

আপনাদের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রতিটি আবাসিক এলাকাকে ‘সোসাইটি’র আওতাভুক্ত করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, গেট নির্মাণ এবং নাইট গার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। মধ্য বাড্ডার কিছু পাড়ায় আমরা ইতোমধ্যেই এই কার্যক্রম সফলভাবে শুরু করেছি।

ফুটপাত ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা

রাস্তায় চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য বাড্ডা লিংক রোডের হকারদের নিয়ে ইতিমধ্যে একটি সমিতি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে তাদের ব্যবহারের জন্য ডাস্টবিনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা হলো—এই একই মডেল পুরো ঢাকা-১১ আসনেই বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে সব এলাকার মানুষ ফুটপাতে নির্বিঘ্নে ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে চলাচল করতে পারেন।


শিক্ষাঙ্গনে সুপেয় পানি

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় বিশুদ্ধ খাবার পানির ফিল্টার স্থাপন করা হচ্ছে, যেমন পূর্ব রামপুরা হাই স্কুল, বাড্ডা বাজার মাদ্রাসা এবং মহানগর কলেজ।


খেলাধুলা ও বিনোদন

পূর্ব রামপুরার যেসব স্কুলে খেলার মাঠ নেই, সেখানে ড. কাইয়ুম নিজস্ব উদ্যোগে ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা করেছেন। ছেলে ও মেয়ে—উভয়ের মানসিক বিকাশের জন্য তিনি খেলাধুলার পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরিতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী। এরই ধারাবাহিকতায়, বাড্ডা হাই স্কুলে থাকা একটি পুরনো ও জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে সেখানে বল খেলার উপযোগী মাঠের ব্যবস্থা করেছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আলাদা ভবনে ইনডোর রিক্রিয়েশন সুবিধা চালু করা হয়েছে, যেখানে ক্যারমসহ বিভিন্ন বোর্ড গেম খেলার সুযোগ রয়েছে।

শীতবস্ত্র বিতরণ

শীতের সময় ড. কাইয়ুম নিজস্ব উদ্যোগে দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি চালু রেখেছেন এবং ভবিষ্যতেও রাখবেন।


নিয়মিত কার্যকর মশার ওষুধ

সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ কিছু এলাকায় মশার সমস্যা দুর্বিষহ। আপনাদের দোয়ায় আগামীতে প্রশাসনিক সমর্থন পেলে ড. কাইয়ুম প্রতিটি ওয়ার্ডে কার্যকরী মশার ওষুধ দেয়ার ব্যবস্থা নিয়মিত করবেন। কিছু এলাকায় তিনি এই পদক্ষেপটি স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই শুরু করতে পেরেছেন।

Youth Center

তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে Youth Center চালু করতে চান, যেখানে তরুণদের জন্য collaborative workspace, বিনোদন কেন্দ্র, এবং বিভিন্ন সমাজসেবামূলক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার ব্যবস্থা থাকবে। তিনি এই স্থানগুলো নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি নিরাপদ জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে চান এবং মাদকমুক্ত রাখতে বিশেষ তদারকির ব্যবস্থা রাখবেন।

শিক্ষায় সহায়তা ও নারী শিক্ষা

মেধাবী কিন্তু অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের স্কুলের বেতনের দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন বহুবার। তাঁর একটি বড় পরিকল্পনা হলো—মেয়েদের জন্য ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত পড়াশোনা সম্পূর্ণ অবৈতনিক করা এবং বিএনপি আমলের সেই জনপ্রিয় ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচিটি পুনরায় চালু করা। পাশাপাশি, নারীদের কর্মজীবন ও পরিবার–জীবনের ভারসাম্য রক্ষায় ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করতে সেলাই শিক্ষা ও বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি চালুর উদ্যোগও নেওয়া হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতে কর্মজীবনে পিছিয়ে না পড়ে, সেজন্য ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি তাদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে তিনি বদ্ধপরিকর।

ধর্মীয় নেতাদের সম্মাননা

তিনি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খতিবদের জন্য সরকারি বেতনের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করেছেন।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি

হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ উপজাতিসহ সকল ধর্ম ও জনগোষ্ঠীর মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়নের জন্য সরকারি তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করবেন—বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে।

আমাদের আরও কিছু পরিকল্পনা পড়তে এখানে ক্লিক করুন