Dr. M A Kaiyum
Sheaf of Paddy
BNP Leadership
ঢাকা-১১ঃ   বাড্ডা,   ভাটারা,   রামপুরা,   মালিবাগ,   সাঁতারকুল,   বেরাইদ
মূল
আমার পরিচয়
বর্তমান কর্মসূচী
নির্বাচনী ইশতেহার
সরাসরি আমাদের জানান

আমাদের কিছু বর্তমান কর্মসূচী এবং বিএনপির জাতীয় ইশতেহার (যেমন ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচী, ইত্যাদি) ছাড়াও, ঢাকা-১১ কেন্দ্রিক আমাদের কিছু পরিকল্পনা আছে। আপনাদের দৈনন্দিন জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য ফিরিয়ে আনাই আমার একমাত্র ব্রত। সেই চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতেই তৈরি করেছি এই নির্বাচনী ইশতেহার। এখানে আমার পাঁচটি অঙ্গীকার ঘোষণা করছি:

নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ

প্রতিদিনের গ্যাস সংকট আমাদের এলাকার অন্যতম প্রধান সমস্যা। এর ফলে সৃষ্ট সিলিন্ডার বাণিজ্যের নৈরাজ্য বন্ধ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। আমাদের প্রতিশ্রুতি—গ্যাসের সকল অবৈধ সংযোগ উচ্ছেদ করে সুষম বন্টন নিশ্চিত করা এবং সিলিন্ডার বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

মশক নিধন ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা

ঢাকা-১১ এর জনজীবন বর্তমানে মশার তীব্র উপদ্রবে বিপর্যস্ত। এই দুর্ভোগ লাঘবে আমরা প্রতিটি মহল্লায় নিয়মিত এবং কার্যকর ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করব।

প্রশস্ত রাস্তা ও হকার ব্যবস্থাপনা

রাস্তাঘাটের সংকীর্ণতা জনজীবনে ভোগান্তির অন্যতম কারণ। তার ওপর রয়েছে জলাবদ্ধতা, এবং হকারদের কারণে ফুটপাথ ও রাস্তাঘাট আরও সঙ্কীর্ণ হয়ে যায়। এই সমস্যাগুলো সমাধানে আমরা সিটি কর্পোরেশনের সাথে কাজ করব। আমরা হকারদের জন্য সমিতি গঠন করে তাদেরকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসব, যাতে চলাচলের পথে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়।

মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ

একটি মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। দুঃখজনকভাবে, কিছু এলাকা আজ মাদকের ভয়াল গ্রাসে আচ্ছন্ন, আর এর পেছনে জড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন ‘কিশোর গ্যাং’। আমরা বিশ্বাস করি, এই বিপথগামী কিশোরদের জন্য প্রয়োজন সঠিক পুনর্বাসন (Rehabilitation)। আপনার এলাকায় মাদক বা কিশোর গ্যাং সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে সরাসরি আমাদের জানান

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা

গৃহস্থলী ময়লা অপসারণ সোসাইটি ভিত্তিক করা হবে, এবং সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য এই সোসাইটিগুলো সিসিটিভির আওতায় আনা হবে, গেট লাগানো হবে এবং নাইট গার্ড দেয়া হবে। বাসাবাড়ী থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব এবং নিয়মিত ময়লা অপসারণ নিশ্চিত করব।

জনগণের দোরগোড়ায় সেবা (অন্যান্য উদ্যোগ)


  • তরুণদের সাথে মতবিনিময়: প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধিদের সাথে বছরে অন্তত দুবার মতবিনিময় করব। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পারলে, এই এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন অনিবার্য।

  • রিক্সা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা: রিক্সা ও অটোরিক্সা গ্যারেজের তালিকা তৈরী করে মালিক-শ্রমিকদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তাদের সমস্যার সমাধান করা হবে।

  • ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সুরক্ষা: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করার জন্য স্থায়ী কমিটি গঠন করে দেয়া হবে।

  • সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, আদিবাসী সহ সকল সম্প্রদায়ের সাথে নিয়মিত মতবিনিময় ও তাদের সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • অসহায়দের সহায়তা: প্রতিবন্ধি, দুস্থ, অসুস্থ ও পিছিয়ে পড়া ব্যক্তিদের ওয়ার্ড ভিত্তিক তালিকা করে নিয়মিত সহায়তা প্রদান করা হবে।

  • উপদেষ্টা কমিটি: গণ্যমান্য মুরুব্বীদের প্রাধান্য দিয়ে উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হবে এবং স্থানীয় সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে কেন্দ্র কমিটি পরিচালিত হবে।

  • শিক্ষায় সহায়তা: স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সাথে আলোচনা করে দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্রি শিক্ষা ও মেধাবীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।

  • ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন: প্রতিটি ওয়ার্ডে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার তালিকা তৈরী করে তাদের সমস্যা চিহ্নিত করে অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

  • সোসাইটি উন্নয়ন: ঢাকা-১১ এলাকার সকল হাউজিং সোসাইটির তালিকা তৈরী করে তাদের সাথে নিয়মিত মতবিনিময় ও সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।